সংবাদ প্রকাশের কারণে দৈনিক চৌকস পত্রিকার চট্টগ্রাম সাংবাদিকের উপর হামলা!

0
92
জেলা প্রতিনিধিঃ   নিউজ প্রকাশের জেরে চট্টগ্রাম হালিশহর এলাকায় দৈনিক চৌকস পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক কামরুল হাসান উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।এসময় সাংবাদিকের নগদ কিছু টাকা এবং মোবাইল কেড়ে নিয়ে যায়।তুলে নিয়ে গিয়ে প্রচুর মারধর করে ইয়াবা ব্যাবসায়ীরা।
গত ২৩-৯-২০২০ ইংরেজী তারিখে সকাল বেলা ৭ ঘটিকার সময় রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় সাংবাদিক কামরুলকে। তাদের ধোয়া পাড়া হিন্দু বাড়িতে প্রকাশ নেছার এর বাগান বাড়িতে নিয়ে চালাতে থাকে পর্যায়ক্রমে পাশবিক অত্যাচার।বিষয়টি কেও আচ করতে পেরে ৯৯৯ এ কল দিয়ে হালিশহর থানা পুলিশকে জানায়।পুলিশ এসে মুমুর্ষ অবস্থায় কামরুল কে উদ্বার করেন।
সাংবাদিক কামরুল জানান,কিছুদিন আগে ইয়াবা সিন্ডিকেট এর নিউজ করার কারনে আমাকে প্রানে মেরে ফেলার জন্য চেয়েছিল। গত ৩১-০৮-২০২০ ইং তারিখে একটি নিউজ প্রকাশ করা হয় জাতীয় দৈনিক চৌকস পএিকা ও উচ্চকন্ঠ পএিকায়, সেই নিউজ করার কারণে আমাকে বিভিন্ন ভাবে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন কিছু লোকজন। বায়েজিদ থানা এরিয়ার জাকির হোসেন সড়ক মোহাম্মদ নগর মোস্সাম্মদ আয়েশা বেগম( ৪৮)এবং ছেলে আবদুর লিটন)(৩৫) কয়েকদিন যাবৎ হুমকি দিয়ে যাচ্ছিলেন। আবদুর সবুর লিটন এর সম্পর্কে ভাগিনা হয় মোঃ অভি (২৫) পিতা মৃত নেছার আহমেদ এর ছেলে বৌ বাজার খাজা হোটেলের মোড়ে। অভি আমাকে আসার জন্য আমার এই নাম্বার থেকে ০১৭১২৮১৯০৭৪ ফোন দিয়ে বলেন তাঁর সাথে দেখা করার জন্য আমার সাথে তাঁর নাকি জরুরী কিছু কথা আছেন বলে। আমি আমার বাসা থেকে বাহির হয়ে তার সাথে দেখা করলাম,ভেবছিলাম হয়তো নতুন কোন তথ্য পাবো তাদের কাছে থেকে হঠাৎ করে সে আমাকে বলেন যে আপনি কাজটা ঠিক করেন নাই।তার খেসারত আপনাকে দিতে হবে। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি। শেষে আমাকে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের ধোয়া পাড়া হিন্দু বাড়িতে প্রকাশ নেছার এর বাগান বাড়িতে। বাগান বাড়িতে নিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি পিস্তল দিয়ে গুলি করতে চেয়েছিলো ফায়ার না হওয়ার কারণে আমি প্রানে বেচে যাই।তবে তাদের আলাপ শুনতে পাই তারা রাতে জবাই করবে।আমি তাদের আমার বাচ্চার কথা দিয়ে মুক্তি চাইতে থাকি। এক পর্যায়ে আমি জীবনের আশা ছেড়ে দেই।তৃষ্ণায় আমি পানি পানি করতে থাকি তারা আমাকে বলে মুতে দিব,খাবি?একটানা সে আমাকে পিস্তল এর বাট দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে এবং তার মামা সোহাগ ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি গা মারতে থাকে একপর্যায়ে আমার হাতের বিদ্বা আঙ্গুল কেটে যায় এবং বাম হাতের বাহুর কেটে যায়।তাদের সিন্ডিকেটের অনেক অজ্ঞাত নামও শুনতে পাই,তারা কারা আসলে তা আমার জানা নেই।তখন আমি মাটিতে লুটিয়ে পরে যাই,এর পর জ্ঞান ফিরে দেখি আমি হাসপাতালে।
এ বিষয়ে ভুক্তভুগি সাংবাদিক কামরুল থানায় গিয়ে ওসি তদন্ত এস আই আশরাফুলের এবং এস.আই ইমামুল হাসান এর সহযোগিতায় থানায় এজাহার দায়ের করেন।যাহা হালি শহর থানা মামলা নাম্বার- ১৮
এ বিষয়ে হালিশহর থানার মামলার আই.ও এস আই ইমামুল হাসানের সাথে কথা হলে তিনি জানান,ইতিমধ্যে মামলা রুজু হওয়ার সাথে সাথে অভিযান চালিয়ে এক নাম্বার আসামি অভি কে গ্রেপ্তার করা হয়।সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনাটি দু:খ জনক।কেউ একজন ৯৯৯ এ কল দিলে আমি ও সংঙ্গীয় ফোর্স ছুটে যাই।একটি বদ্বরুমে সাংবাদিক কামরুলকে পাই।তখন তার অবস্থা খুব খারাপ ছিল, তাকে প্রচুর শাররীক নির্যাতন চালিয়েছে।
পরে অভিযান চালিয়ে তাদের বাগান বাড়ি থেকে বিপুল পরিমানে দেশীয় অস্ত্র রান্দা,কিরিচ, লাঠি,চাপাতিসহ এবং যেই পিস্তল দিয়ে মেরে ফেলার জন্য বার বার সাংবাদিক কে আঘাত করা হয়েছিল সেই পিস্তলসহ দুই রাউন্ড গুলিসহ অভিকে গ্রেপ্তার করা হয়।বাকী আসামি এখনও পালাতক। তিনি আরো জানান, এই ইয়াবা সিন্ডিকেটের সদস্যদের বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় আরো অভিযোগ রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।তারা বিভিন্ন সময় মাদক ছাড়াও জায়গা দখল,খুন,ঘুম,ধর্ষনের সাথে জড়িত থাকার আলামত ও তথ্য এসেছে তদন্তের রিপোর্টে।পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে,কাওকে ছাড় দেয়া হবেনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here