মালয়েশিয়ায় খুলছে শ্রমবাজার

0
277

নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে বাংলাদেশের জন্য খুলতে যাচ্ছে বন্ধ থাকা
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। তবে সময়ক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি। বুধবার কুয়ালালামপুরের
পার্লামেন্ট ভবনে এ নিয়ে দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলাসেগারানের সঙ্গে
সফররত বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান
আহমদের দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া
ফের শুরুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু নিয়োগ প্রক্রিয়াসহ বেশ
কিছু বিষয় অমীমাংসিত রেখেই বৈঠকটি শেষ হয়েছে! এ বিষয়ে আগামী ২৪ ও ২৫ শে
নভেম্বর ঢাকায় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের ক্ষণ নির্ধারিত হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ওই বৈঠকই হবে টার্নিং পয়েন্ট। সেখানেই ঠিক হবে
বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া কী হবে এবং
কবে নাগাদ এটি শুরু করা যাবে। সূত্র এ-ও বলছে, ১০ এজেন্সির যে সিন্ডিকেটের
বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাহাথির সরকার ক্ষমতা নেয়ার পরপরই
বাংলাদেশের সঙ্গে সই করা সমস্ত চুক্তি বাতিল করে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ
করেছিল এখনও সেই সিন্ডিকেটকে ঘিরেই দুশ্চিন্তা।

নতুন এবং বর্ধিক কলেবরে সেই সিন্ডিকেটই বাজার নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় বলে
খবর চাউর হয়েছে। বাজার খুলতে আলোচনায় গিয়ে খোদ প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীকেই
সিন্ডিকেটের বিষয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। মন্ত্রীর উত্তেজক বক্তব্যে
সন্দেহের ডালপালা আরও বেড়েছে। বিভিন্নে প্রশ্নে জেরবার মন্ত্রী সাংবাদিকদের
পাল্টা প্রশ্ন করেন- সিন্ডিকেট থাকলে সমস্যা কোথায়? তিনি সাফ জানান-
শ্রমবাজার উন্মুক্ত করাই তার টার্গেট। অন্য কিছু নিয়ে আপাতত ভাবছেন না।
সিন্ডিকেট প্রশ্নে মালয়েশিয়া সরকার বরাবর বায়রা যে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রী
তাতেও চটেছেন।

এ নিয়ে তার বক্তব্য ছিল এমন তারা কি সরকার?
মালয়েশিয়ার সরকারের কাছে তারা চিঠি পাঠানোর কে? মন্ত্রী অবশ্য বলেছেন-
স্বল্পখরচ ও স্বচ্ছভাবে যেনো বাংলাদেশের কর্র্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানো যায়
সেই ব্যবস্থাই তিনি এবং তার সরকার করতে যাচ্ছে। এ নিয়ে আলোচনার জন্য তিনি
দেশটি সফর করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শ্রমবাজার
মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানীর প্রশ্নে মন্ত্রী, মন্ত্রণালয় এবং সরকার বরাবরই
কঠোর অবস্থানে। কিন্তু অসাধু সিন্ডিকেটের জিম্মিদশা থেকে সাধারণের মুক্তি
ঘটে না। এ নিয়ে অস্বস্তি আছে মালয়েশিয়ারও। খোদ সে দেশের প্রধানমন্ত্রী
মাহাথির মোহাম্মদ খোদোক্তি করেছেন। বিরক্তি প্রকাশ করেছেন, হুশিয়ারি দেন।
কিন্তু দুই দেশের সম্বিলিত ওই ‘চক্র’কে নিষ্ক্রিয় করা যায়নি। বৃটিশ সংবাদ
মাধ্যম বিবিসি, মালয়েশিয়ান সংবাদপত্র স্টারসহ আন্তর্জাতিক বহু সংবাদ
মাধ্যমে ওই সিন্ডিকেট নিয়ে অনুসন্ধানী রিপোর্ট ছাপা হয়েছে। সব রিপোর্টেই
প্রায় অভিন্ন তথ্য এসেছে। রিপোর্ট মতে, গেল বছরে আগস্টেই মালয়েশিয়ার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল দাতো ইন্দেরা খাইরুল
দাজমি বিন দাউদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে বাংলাদেশকে জানিয়ে দেয়া হয়- নাজিব
রাজাক সরকারের আমলে বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগে যে ১০ রিক্রুটিং এজেন্সি কাজ
করতো তাদের এসপিএ সিস্টেম বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু ওই চিঠিতে কোন
কারণ উল্লেখ ছিল না।

বিবিসি তার নিজস্ব অনুসন্ধানে জানতে পারে ১০টি
এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরই এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মালয়েশিয়ান স্টারেও তাই বলা হয়। উভয় সংবাদ মাধ্যম জানায়, মালয়েশিয়ায় যেতে
একজন বাংলাদেশি কর্মীর ৪০,০০০ টাকা লাগার কথা থাকলেও এজেন্সিগুলো চার লাখ
টাকা পর্যন্ত চার্জ করতো। বাড়তি টাকা সিন্ডিকেট, সরকারি কর্মকর্তা এবং
নেপথ্যের প্রভাবশালীদের মধ্যে বন্টন হতো। স্টার মালয়েশিয়ার রিপোর্ট বলছে,
দুই দেশের এজেন্টরা পাঁচ হাজার কোটি টাকার মত হাতিয়ে নিয়েছে বলে দেশটির
সরকারের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। আর বিবিসির তথ্য মতে, অভিযোগ আছে ওই
দুর্নীতির ভাগ মালয়েশিয়ার আগের সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও পেতেন।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক মালয়েশিয়ান সেই লেনদেনে যুক্ত ছিলেন। মালয়েশিয়ায়
দায়িত্বপালনকারী ঢাকার এক কূটনীতিক মানবজমিনকে বলেন, ২০১৬ সালেই দুই দেশের
মধ্যকার বিভিন্ন পর্যায়ের আলোচনায় প্রায় ৯ শতাধিক এজেন্সির একটি তালিকা
নিয়ে কথা হয়েছিল। কিন্তু মালয়েশিয়া সরকার মাত্র ১০টি এজেন্সিকে বেছে নেয়।
তখন বলা হয়েছিল সংখ্যাটা পরে বাড়ানো হবে। কিন্তু তা হয়নি। বাংলাদেশের
জনশক্তি রপ্তানীকারকদের দাবি ছিল প্রসেসটা ওপেন করে দেয়ার। কোন সিন্ডিকেটের
হাতে বিশাল এ বাজার না ছেড়ে সব এজেন্সিকে একটি সিস্টেমের মধ্যে কাজ করার
সূযোগ দেয়ার। কিন্তু না, তা হয়নি। ওই কর্মকর্তা বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি
কর্মীদের চাহিদা রয়েছে। তাদের সুনাম আছে। কিন্তু আমরা এটা ধরতে পারছি না।

শ্রম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্যের বিস্ময়, প্রধানমন্ত্রীর হতক্ষেপ কামনা:
মালয়েশিয়ায় বন্ধ শ্রমবাজার খোলার নামে ‘সর্বনাশের খেলা’ চলছে বলে বিস্ময়কর
মন্তব্য করেছেন শ্রম মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইসরাফিল
আলম এমপি। মালয়েশিয়ায় থাকা ওই সংসদ সদস্য ওই ‘খেলা’ বন্ধ করতে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। প্রবাসীকল্যাণ
মন্ত্রী যখন কুয়ালালামপুরে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের
প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ঠিক সেই মুহূর্তে (৫ নভেম্বর রাতে) নিজের ভেরিফায়েড
ফেসবুক পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে ইসরাফিল আলম এ আহ্বান জানান। আবেগঘন ওই
স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন- “দেশ ও জাতির স্বার্থের বিরুদ্ধে ব্যক্তি স্বার্থে
অন্ধ হয়ে মানুষ কীভাবে নীতিহীন অবস্থায় দাঁড়িয়ে হাসে, তা আজ দেখলাম
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে সারা দিন এবং মধ্যরাত পর্যন্ত। এখানকার বন্ধ
শ্রমবাজার খোলার নামে যে সর্বনাশের খেলা আবার শুরু হয়েছে, তা বন্ধ করতে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নজরদারি ও হস্তক্ষেপ কামনা করছি। স্বয়ং মা
যদি সন্তানের হত্যাকারী হয়, আর রক্ষক যদি ভক্ষক হয়- তাহলে সেখানে প্রতিকার
দেয়ার আর পাওয়ার কিছুই বাকি থাকে না। যে বিস্ময়কর আর অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী
হয়ে থাকলাম, ভবিষ্যতে হয়তো তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কোন প্রবন্ধে বা গ্রন্থে
লেখা হবে বিস্তারিত। তবে আজ শুধু এটুকুই বলবো, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
আর দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্ম না হলে এই অভাগা বাঙালি জাতির পরিণতি যে কি
হতো তা একমাত্র তিনিই বলতে পারেন। হে পাক পরওয়ারদেগার, তুমি সবই দেখছো এবং
সবই জানো। দেশের গরীব মেহনতি মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে যারা অন্ধ ও
বিবেকহীন হয়ে অপতৎপরতা চালাচ্ছে, তাদের হাত থেকে বাংলাদেশ এবং বাঙালি
জাতিকে তুমি রক্ষা করো। আমিন।”

আলোচনায় ৩ শর্ত, হাই কমিশনার বললেন ভিন্নকথা:
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া ফের শুরু করার জন্য দেশটির
তরফে ৩ শর্ত দেয়া হয়েছে বলে আগাম খবর বেরিয়েছে। ঢাকা ডেটলাইনে প্রচারিত ওই
খবরে প্রকাশ সেখানে কর্মীর কাজের অনুমতি দূতাবাসের মাধ্যমে দেয়া, পাসপোর্ট
নিয়োগকর্তার কাছে জমা রাখা তথা নিয়োগকর্তাকে গ্যারান্টর হিসাবে থাকার শর্তই
মূখ্য। অন্য শর্ত দুটি হলো- কর্মীরা রিক্রুটিং এজেন্টকে কোনো টাকা দিতে
পারবে না। কর্মী বাছাই, চাহিদাপত্র যাচাই, নিয়োগসহ সব কাজ মালয়েশিয়ার
নির্ধারিত পদ্ধতিতে হবে। যার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে দেশটির নির্ধারিত
কর্তৃপক্ষের হাতে। কর্মীপ্রতি ৬০০ রিঙ্গিত অর্থাৎ ১২,৩১২ টাকা পাবে
মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্টরা। তৃতীয় এবং সর্বশেষ শর্ত হচ্ছে-
বিনা অনুমতিতে কর্মক্ষেত্র পরিবর্তন বন্ধ। পালালে কিংবা দেশে ফিরলে
মালয়েশিয়ায় দরজা বন্ধ। সূত্রের বরাতে খবরে আগেই বলা হয়েছে- ওই ৩ শর্ত নিয়ে
বুধবার মন্ত্রী পর্যায়ের কুয়ালালামপুর বৈঠকে আলোচনা হবে। কিন্তু তা কি
হয়েছে? কুয়ালালামপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বলেছেন তারা কোন শর্ত
নিয়ে আলোচনা করেননি। অভারল সব বিষয়ে কথা হয়েছে। অত্যন্ত ভাল আলোচনা হয়েছে।

চলতি
মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ঢাকায় জয়েন্ট ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে বন্ধ দরজা খোলার
বিষয়ে টাইম ফ্রেমসহ ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে বলে আশা দীর্ঘ সময় ধরে
মালয়েশিয়ায় দায়িত্বপালনকারী জ্যেষ্ঠ ওই কূটনীতিকের। তিনি এ-ও বলেন,
বাংলাদেশি কর্মীদের প্রেরণে ব্যয় কমানো এবং তাদের নিরাপত্তা অর্থাৎ
ইন্সুরেন্স ইত্যাদির ওপর মন্ত্রী জোর দিয়েছেন। কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। যা
জয়েন্ট স্টেটম্যান্টে স্থান পেয়েছে। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেই
স্টেটম্যান্ট পাওয়া যায়নি। হাই কমিশনার সিন্ডিকেট নিয়ে মহল বিশেষের
দুশ্চিন্তাও নাকচ করে দেন। বলেন, এবার সিন্ডিকেট হবে না। বাজারটি সবার জন্য
উন্মুক্ত করতে চায় মালয়েশিয়া।

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর দপ্তর যা বলেছে:
এদিকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর একান্ত সচিব আহমদ কবীর স্বাক্ষরিত সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে গতকালের কুয়ালালামপুর বৈঠকের আপডেট জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়- মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারানের সঙ্গে শ্রমবাজার
খোলার বিষয়ে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী
ইমরান আহমদ এমপি’র ফলপ্রসু বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে উভয়ে মালয়েশিয়ার বন্ধ
শ্রমবাজার দ্রুত খোলার বিষয়ে একমত হয়েছেন। বৈঠকে নূন্যতম অভিবাসন ব্যয়ে
কর্মী প্রেরণ, উভয় দেশের রিক্রুটিং এজেন্সিদের সম্পৃক্ততার পরিধি বাড়ানো,
মেডিকেল পরীক্ষা এবং কর্মীর সামাজিক ও আর্থিক সুরক্ষা এবং ডাটা শেয়ারিং
বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে, ন্যূনতম অভিবাসন ব্যয়ে কর্মী প্রেরণ এবং
কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিড়ম্বনা নিরসনের জন্য বাংলাদেশ থেকে
বহির্গমনের পূর্বে মাত্র একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার বিষয়ে তারা একমত হন।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদার কথাও সভায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা
হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত মতে ঢাকায় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা হবে এবং সভার
পর কর্মী প্রেরণ পুনরায় শুরু হবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৈঠকে
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সেলিম
রেজা, বাংলাদেশ হাইকমিশনার মহঃ শহীদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ
মনীরুস সালেহীন, যুগ্মসচিব ফজলুল করীম, ডেপুটি কমিশনার ওয়াহিদা আহমেদ,
কাউন্সিলর (শ্রম) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং বিএমইটি’র পরিচালক ড. নুরুল
ইসলাম। আর মালয়েশিয়া প্রতিনিধিদলে ছিলেন মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি
জেনারেল দাতু আমির বিন ওমর, ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল দাতু কয়া আবুন,
ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল মোঃ খাইরুজ্জামান, লেবার ডিপার্টমেন্ট এর
মহাপরিচালক দাতু মোহাম্মদ জেফরি জোয়াকিম আসরী, আন্ডার সেক্রেটারি মিস বেটি
হাসান, আন্ডার সেক্রেটারি আব্দুর রহমান, ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি
শাহাবুদ্দিন এবং ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি শাহ বাচিক প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here