আশুলিয়ায় আলমগীর হোসেন নিরবসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা

0
62

সাভার প্রতিনিধিঃ  ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন মাদবর ও বাংলা টিভির আশুলিয়া প্রতিনিধি কথিত সাংবাদিক আলমগীর হোসেন নিরবসহ তাদের সহযোগী-এক মামলায় ৪জন আসামী
এবং অন্য এক মামলার ৮জনের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করাসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ২টি মামলা দায়ের করেছেন স্থানীয় রাজু আহমেদ নামের এক ব্যবসায়ী। সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন রাজু গ্রæপের চেয়ারম্যান রাজু আমেদ, মামলা নং ১৬৩/২০২০ইং এই মামলায় বাংলা টিভি আশুলিয়া প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন নিরব (৪০), কথিত সাংবাদিকসহ ৪জনকে আসামী করা হয়েছে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে
রাজু আহমেদ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমানকে জড়িয়ে নানাভাবে অপপ্রচার করে। জানা গেছে, আশুলিয়ার গাজীরচট আলিয়া মাদ্রাসা এলাকার মৃত খন্দকার নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ আলমগীর হোসেন নিরব। তিনি কখনো বলেন, সে পুলিশের এসআই ছিরেন, কখনো বলেন, ডাঃ ছিলেন, কখনো বলেন, তার গ্রামের বাড়ি নড়াইল, কখনো বলেন, গোপালগঞ্জের ছেলে। এই নিরব এর সহযোগীরা বিভিন্ন হোটেল ও প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে শুরু করে মোটা অংকের টাকা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই চক্র প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে
প্রতিবাদ করলে তাদের উপর হামলা হয়, সেই সাথে মামলা দিয়ে হয়রানি করে তারা। এই চক্র বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত রয়েছে বলে অনেকেই জানান। অপর মামলা নং ৩৬৪/২০২০ইং ধারা ৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭/৪২০/৪০৬/৪২৩/৫০৬/১০৯ দঃ বিঃ, এই মামলার প্রধান আসামী আশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহাব উদ্দিন মাতবর (৫০), তিনি আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ী এলাকার মৃত ওহাব মাদবরের ছেলে।

এই মামলায় কথিত সাংবাদিক আলমগীর হোসেন নিরবসহ ৮জনকে আসামী করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে স্থানীয় রাজু আহমেদের কাছে ১০ লাখ টাকা ধার চান এবং দুই মাসের মধ্যে ওই টাকা পরিশোধ করার অঙ্গীকার করেন তিনি। এলাকার চেয়ারম্যান বলে কথা, মানবতার খাতিরে রাজু আহমেদ শাহাবুদ্দিনকে ৫লাখ টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে ওই ধারের টাকা
পরিশোধ না করে আবার রাজু আহমেদের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন শাহাবুদ্দিন চেয়ারম্যান। চাাঁদা দিতে অস্বীকার করলে শাহাবুদ্দিন তার সহযোগীদের দিয়ে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলিয়ে অ্যাপস এর মাধ্যমে ভুয়া
রেকর্ড তৈরি করে রাজু আহমেদ ও ঢাকা-১৯ আসনের এমপি ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমানকে জড়িয়ে দেশবাসীর কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়।
উক্ত ব্যাপারে মামলার বাদী রাজু আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, ৫০লাখ টাকা চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় শাহাবুদ্দিন মাদবরের লোকজন তার উপর হামলা করে। এরপর রাজুর বিরুদ্ধে মিথ্যা অডিও প্রকাশ করে তাকে হেয় করা হয়। সেই অডিও রেকর্ডে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমানকেও হেয় করে প্রচার করা হয় বিভিন্ন মাধ্যমে এটা লজ্জাজনক বিষয়।
এই প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানাসহ একাধিক জিডি, অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন মাদবরের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি, তার মুঠোফোনে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। মাননীয় ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমানের সম্মান মানে সরকারের সম্মান, তাই যারা বিভিন্নভাবে সরকারের বদনাম করছে, তাদেরকে গ্রেফতারসহ সরকারের সুনাম রক্ষায় সঠিকভাবে তদন্ত করার দাবি করেন সচেতন মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here