আশুলিয়ায় বেড়েই চলছে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা

0
172

সাভার প্রতিনিধিঃ সাভারের আশুলিয়ার জিরাবো বাগানবাড়ী এলাকায় কিশোর গ্যাং এর সদস্যেদের সন্ধান মিলেছে। জানা যায়, ওই এলাকায় চুরি,ডাকাতি,ছিনতাই সহ অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলছে । মাঝে মাঝে প্রসাশনের ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) এই এলাকায় অভিযান চালালেও থেমে নেই এই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের তৎপরতা।  তবে এই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যেদের, এলাকার কিছু মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের পরিচালনা করে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আশুলিয়া শিল্প অঞ্চল হওয়ায় মাসের শুরুতে শ্রমিকদের বেতনের সময় ছিনতাইয়ের মূল তার্গেট তাদের । এরপর মেয়ে শ্রমিকদের যৌন হয়রানি, স্বর্ণের গহনা ,মোবাইল ও টাকা ছিনতাইয়ের প্রথম কাজ তাদের ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, স্কুলে যাওয়ার পথে মেয়েদের উত্যক্ত করে কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা। কিন্তু তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।

তাদের মধ্যে শেখ মামুন নামের এক গ্যাং সদস্যের কর্মকান্ড জনসম্মূখে উঠে এসেছে। সে কিশোর গ্যাং এর অন্যান্য সদস্যেদের যোগ সাযোগে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত থাকে। বিশেষ করে এলাকার স্কূল পড়ুয়া মেয়েদের সাথে ইভটিজিং সহ নানা অভিযোগ রয়েছে  তার বিরুদ্ধে। প্রথমে মেয়েদের প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে রাজি না হলে প্রাণ নাশের হুমকিও দেয় গ্যাং এরে এই সদস্য মামুন।

যা নিয়ে এলাকায় বেশ কয়েকবার শালিশ বৈঠকও  হয়েছে। ফলে,শালিশে কেউ তার বিরোধীতা করলে তাকে গ্যাংয়ের সব সদস্যেদের নিয়ে আক্রমণের ফাঁদ আটে তারা।

গত ২০ জুন  ওই এলাকায় ইভটিজিং ও স্কুল ছাত্রীকে জোরপূর্বক যৌন হয়রানির করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে মামুন। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বেড়িয়ে আসে কিশোর গ্যাং এর সদস্যেদের পরিচয়।

তাদের অপরাধের বিস্তার ঘটাতে জিরাবোরের পুকুরপার-কুন্ডলবাগ,ঘোষবাগ -পানির ট্যাঙ্ক সহ বেশ কিছু এলাকায় ছড়িয়ে ছিটেয়ে থাকে তাদের সদস্যরা। প্রয়োজন বোধে  একত্রিত হয়ে সংযুক্ত অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত হয়।

মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। যার প্রেক্ষিতে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, মামুন  গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার কামদিয়া,রঘুনাথপুর গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে। তার বাবা পেশায় একজন গার্মেন্ট শ্রমিক। তারা সাভারের আশুরিয়ার জিরাবো বাগানবাড়ি এলাকার একটি ভাড়া বাসাতে থাকে। তার বিরুদ্ধে একাধিক নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here